আমার তুমি

স্বাতী নাথ ,

বর্ধমান

তোমাকে দেখেছি আমার মনের অন্তস্থল থেকে
কস্তুরি নাভির গন্ধের মতো ছড়িয়ে আছ তুমি
তোমার হাসিতে ছড়িয়ে পড়ে হাজার নক্ষত্র
হরিণের মতো চঞ্চল হয়ে সংসার তরি বয়ে যাও
নুপুরের রিনিরিনি, কাকনের তরঙ্গ ধ্বনি
ভরে দেয় আমার মন, প্রাণে হয় শক্তির সঞ্চার
তোমার চুল যেন ঘন কালো অমাবস্যার রাত
তোমার শরীরের প্রতি টি ভাঁজে লুকিয়ে আছে
না বলা অন্তহীন শব্দ আর সুরের প্রতিধ্বনি
তুমি আমার সুখ যেন মরুদ্বীপে আচমকা বৃষ্টি
যেন বর্ষায় ধানের শীষের গন্ধ থাকে ভরে
আমার আসুখের ব্যাথায় শুশ্রূষা র উষ্ণতা
ভাঙ্গা পাল তুলে বয়ে চলেছ সকল কিছু
তোমার সুবাসিত শক্ত আঁচলে বেঁধে রেখেছ
ঘরের দুয়ার, অশুভ শক্তির তাই নেই স্থান
কবিতায় খুঁজে বেড়াই পেয়েছি কি তার হদিশ?
তুমি বসন্তের পলাশ, শরতের শিউলি, পদ্ম হয়ে
রূপ গন্ধ ছড়িয়ে মোহিত করো আমাকে
আমি হারিয়ে যাই তোমার মায়াভরা চোখে
কিনারা খুঁজে পাই না তোমার শক্তির উৎস
তুমি আমার জীবনে শান্তির প্রলেপ
শব্দহীন কথা, আর নির্ভরতা।।