এখনও

অনিল সামন্ত,

দক্ষিন রামনগর, দঃ২৪ পরগনা।

এইতো সেদিন
বিপত্নীক গফুর বের হ'য়ে গেল
আমিনা'র হাত ধ'রে,
এখনও দেবদাস অশুশ্রূষায়
যক্ষ্মা রোগে মরে।

এখনও মীরজাফর,
তোমার-আমার আশে-পাশে
বন্ধু, বেঁধেছে সর্বনাশের ঘর।

এখনও শাইলক ওৎ পাতে,
সুদ খোঁজে,
টাকা চায়, বাড়ীতে আসে,
যীশু'র আস্থা নেই আস্তাবলে,
আপন হয়েছে পর।
মীরজাফর

এখনও দুঃশাসন বিবস্ত্রা করে
দ্রুপদকন্যাকে,
লালসার বহ্নি তার
জ্বলে রসনায়।

এখনও তো বেহুলা'কে
তে-মাথার মোড়ে -
দুষ্টুবুদ্ধি বিভ্রান্ত ক'রে
ইতি-উতি চায় ।।

এখনও তো নিদ্রাতুর পথিক'এর
মুখের রোদ্দুর কেড়ে নিতে গিয়ে
তীর-বিদ্ধ হয় রাজহাঁসের
অপার করুণা।

চোখের সামনে
ঘরভেদী বিভীষণ
এখনও তো আছে বেঁচে;
কোল-ছেঁড়া সুপ্তোত্থিত স্বামী
ধ'রা পড়ে পুলিশের হাতে।

হত চকিতা নারী-
হাঁটে অন্ধকার কানা-গলি পথে।
হায়! অসহায়;
এ নরক মৃত্যুর ভয়াল-সড়ক
বলো, কি আছে উপায়?