বাইশে শ্রাবণ
ঝর্ণা সরদার,
গড়িয়া, কলকাতা
কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস
২২শে শ্রাবণ;
অশ্রুসিক্ত তাইতো মোদের
এ দুটি নয়ন!
বেদনায় ভারাক্রান্ত
হয়ে আছে মন-
কোথা গেলে পাব মোরা
তব দরশন!
হে বরেণ্য বিশ্ব কবি
পুষ্প মাল্যে সাজায়ে -
রেখেছি তোমারই ছবিখানি
সম্মুখে ধুপ জ্বালায়।
জোড় করি হাত করি প্রনিপাত
এসো আজ ধরাধামে
নব রূপে নব সাজে
বিলাও তোমার কবিতা প্রেম
মহা অসীমের মাঝে।।
নেতাজী
ঝর্ণা সরদার,
গড়িয়া, কলকাতা
জয়তু নেতাজী --
জয় জয় তব জয়।
কোথায় লুকালে --
হে বীর সৈনিক?
হে নির্ভীক হৃদয়।
তুমিই তো বলেছিলে বন্ধু--
হে ভারত বাসী --
রক্ত দাও এক বিন্দু--
আমি আনব দেশের স্বাধীনতা
দেব অপার সিন্ধু।
কোথায় গেল তোমার সে
অভয় বানী?
শুধু নীরবে থেকে দিতেছ
মোদের হাতছানি।
এসো ধরো হাত সবাকার --
তোমার আহ্বানে ভারতবাসী --
জাগুক পুনর্বার।
ভারত-"মায়ের"দুর্দিনে--
তুমি থেকোনা মুখ ফিরায়ে
তোমার মুখ পানে চেয়ে--
রয়েছি মোরা আগায়ে ।
হে বীর ---
তুমি তুলে লও হাতে --
তব দণ্ড।
যে কাপুরুষের দল
যে ভন্ড --
তোমার স্বপ্নের ভারতকে
করছে লন্ড ভন্ড।
তুমি দাও তাদেরে শাস্তি
দিওনা কখনও মুক্তি।
পুনরায় দেখাও তোমার --
অসীম মাতৃ ভক্তি।
ধন্য তোমার জন্মভূমি --
ধন্য কোদালিয়া --
জীবন তাহার সার্থক হল --
তোমাকে প্রসবিয়া।
নারী
ঝর্ণা সরদার,
গড়িয়া, কলকাতা
আমি নারী --
ধর্ষিতা -অপমানিতা
নির্যাতিতা।
আমি সেই নারী--
যার তরে কেঁদে বেড়ায়
মোর অসহায় পিতা মাতা।
জীবন যুদ্ধে হেরেছি আমি
পারিনি নিজেকে বাঁচাতে।
পারিনি নিজের নারীত্বকে
রক্ষা করতে--
সেই নর খাদকের হাত হতে।
বারে বারে তাই
বলিতে যে চাই--
ওহে শিক্ষিত সমাজ
নারীর সম্মান রক্ষা করিতে
দিকে দিকে তোল আওয়াজ।
নারীই হল সৃষ্টি রুপিনী --
নারী ই -শক্তি দায়ি নী -
সেই নারীকে ধর্ষণ করে
এই সমাজের ঘৃণ্য
অসুর বাহিনী।