চোখে দেখাটাই সব নয়(প্রথম পর্ব-)
অর্ঘ্যদীপ গুড়িয়া,
নিউ-দিল্লি
পূর্ববর্তী অংশটি পড়ার জন্য
লাইব্রেরি
বিভাগে দেখুন...
দিল্লির আকাশে শরতের মিষ্টি হাওয়া। আশ্বিন মাসের দূর্গাপূজার ষষ্ঠী থেকে
শহর যেন নতুন প্রাণ পেয়েছে। রাস্তার ধারে কাশফুল, হালকা শিউলি গন্ধে ভরে
আছে সকাল। বিকেল নামলেই রঙিন আলো আর বাজনা, মণ্ডপে মণ্ডপে ঢল নামে
মানুষের।
বেঙ্গলী কলোনির বড় প্যান্ডেলটায় আজ সপ্তমীর অঞ্জলি। সাদা শাড়ি-লাল
পাড়, গলায় সোনার চেইন, কানে ঝুমকো, সিঁথিতে সিঁদুর, কপালে একটা বড়ো
লাল টিপ, — এইবার পূর্ণার সাজ যেন পূর্ণতা পেল। পায়ে নতুন স্যান্ডেল— এক
সপ্তাহ আগে বাজার থেকে কিনেছিলেন। দামটা একটু বেশি হলেও ভেবেছিলেন, পুজো
তো বছরে একবারই আসে, নিজের জন্য একটা ভালো স্যান্ডেল কিনলে ক্ষতি কী?
মণ্ডপের ভিতর ধূপ ধূনোর গন্ধ ঘন কুয়াশার মতো পরিবেশ। ঢাক বাজছে, শঙ্খ
বাজছে, এ যেন কোন ইন্দ্রপুরী। অঞ্জলির সময় তিনি সবার সঙ্গে হাত জোড় করে
দাঁড়ালেন— চোখ বুজলেন, দেবীর সামনে নিজের মন খুলে বললেন—
“মা, সবাইকে ভালো রাখো, সুস্থ রাখো, বাড়িতে শান্তি দাও, ছেলে মেয়েটার
পড়াশোনা যেন ভালো হয়।”
অঞ্জলি শেষ। ভিড় ঠেলে যখন বাইরে এলেন, হঠাৎ বুকটা ধক করে উঠল।
*স্যান্ডেল নেই।*
খালি পায়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন। ভিড়ের মধ্যে চারপাশে ছড়ানো রয়েছে
অসংখ্য স্যান্ডেল, চপ্পল, জুতো। কিন্তু তার নতুন স্যান্ডেল— চকচকে কালো
স্ট্র্যাপওয়ালা— সেই জুতো জোড়া কোথাও নেই।
— “আরে দিদি, কী হলো? দাঁড়িয়ে আছেন কেন?” পাশের এক ভদ্রলোক জিজ্ঞেস
করলেন।
মহিলা ঠোঁট কাঁপতে কাঁপতে বললেন— “আমার স্যান্ডেলটা… নেই।”
লোকটা হেসে ফেলল, “আরে! প্যান্ডেলের বাইরের চপ্পল রাখার স্ট্যান্ডে এমন
হতেই পারে। দেখুন অন্য কেউ পরে গেছে। কিছু মানুষ এমনও হয় যারা নিজের
পুরানো ছেঁড়া জুতো পড়ে মণ্ডপে আসে আর নিজের পায়ের মাপের ভালো নতুন
জুতো নিজের পায়ে গলিয়ে চম্পট দেয়।”
মহিলা ভেতরে ভেতরে যেন ভেঙে পড়লেন।
ভিড়ের মধ্যে পা টিপে টিপে বেরিয়ে আসতে গিয়ে তিনি বুঝলেন, খালি পায়ে
হাঁটা কত কষ্টকর। বিশেষ করে তার পায়ে তো আগের থেকেই সমস্যা আছে। কয়েক
বছর আগে একটা গাড়ি দুর্ঘটনায় পায়ে চোট লেগেছিল। তখন থেকেই পায়ে
ব্যাথা করে, পা ফুলে যায়, হাঁটতে কষ্ট হয়।
তবু কি করার আছে? সারাটা দিন মন্ডপের মধ্যে খালি পায়েই ঘুরতে হলো।
সন্ধ্যার দিকে প্যান্ডেলের এবং রাস্তার সমস্ত আলো জ্বলে উঠেছে। চারদিক
ঝকমক ঝকমক করছে, ঢাকের আওয়াজ, মানুষে মানুষে ঠাসা ভিড়, সন্ধ্যা আরতি আর
ধুনুচি নাচের সাথে প্রতিমার মুখমন্ডল যেন এক অনন্য আভায় শোভিত হচ্ছিল।
কিন্তু মহিলার মনে উৎসবের আনন্দ নেই। শুধু একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছে—
*“আমার স্যান্ডেল গেল!”*
সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ মন্ডপের খুব কাছে থাকা এক পরিচিত বাঙালি
পরিবার— বসু-দের সাথে দেখা হয়ে গেল। তারাও সেই সময় মন্ডপ থেকে বাড়ি
ফিরছিল। পূর্ণার পা খালি দেখে অবাক হয়ে গেলেন তারা।
— “আরে দিদি, কী হলো? খালি পায়ে হাঁটছেন কেন?”
পূর্ণা হেসে বলার চেষ্টা করলেন, কিন্তু গলায় কেমন যেন কান্নার স্বর—
“প্যান্ডেল থেকে স্যান্ডেলটাই চুরি হয়ে গেছে।”
মিসেস বসু মমতার স্বরে বললেন,
“আহা! এমন হয়ই তো। আমাদের বাড়িতে চলুন , আমার মেয়ের একটা বাড়তি
ক্রোকস আছে । পরে নিন, অন্তত খালি পায়ে হাঁটার কষ্টটা কম হবে।”
পূর্ণা একটু ইতস্তত করলেন—
“না না, কী করে নেব? আমি আজ রাতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে মার্কেট থেকে কিনে
নেব খন।”
বসু ভদ্রলোক জোর দিয়ে বললেন—
“ আরে আমাদের থেকে নিতে লজ্জা কীসের! ফেরত তো দিতেই পারবেন। অন্তত খালি
পায়ে হাঁটবেন না।”
অগত্যা পূর্ণা কে সেই ক্রোকস পরেই বাড়ি ফিরতে হলো।
পরদিন সকালে পূর্ণার ঘুম ভেঙে গেল ব্যথায়। পা ফুলে গেছে। তবুও পুজোর
মরসুমে বাইরে যাওয়া আটকানো যায় না। বাজার থেকে নতুন স্যান্ডেল কেনার
সময় পেল না। সু রেক থেকে একটা পুরনো, সস্তা চপ্পল টেনে বের করলেন।
সেদিন বিকেলে পূর্ণা নিজের পরিবারের সাথে আবারও বেরোলেন প্যান্ডেল দেখতে।
শাড়ি পরে, সাজগোজ করে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু পায়ে ওই পুরনো চপ্পল।
প্যান্ডেল ভিড়ে জমজমাট। রঙিন আলো, পুজো প্যান্ডেলের স্টেজ থেকে ভেসে আসা
গানের সুর আর ফুড কোর্টে এগ রোল চাওমিন ঘুগনি বিরিয়ানি ফুচকার দোকানে
লম্বা লাইন, আড্ডা আর হাসাহাসি। এরই মধ্যে দুটি মেয়ের কথোপকথন কানে এলো,
পূর্ণা কে দেখিয়ে ওরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করছে—
— “দেখেছিস, ওই দিদির শাড়িটা! বেশ দামি মনে হচ্ছে।”
— “হ্যাঁ রে, কিন্তু পায়ে কী জুতো দেখেছিস? আহাহা! এত দামী শাড়ির সঙ্গে
ওই সস্তা চপ্পল? হাস্যকর!”
— “মনে হয় শাড়িটা কারও দেওয়া উপহার । নইলে… কোনো বড়লোক বাড়ির কাজের
লোক হবে।”
কথাগুলো যেন সোজা ছুরি হয়ে গিয়ে বিঁধল পূর্ণার বুকে।
চোখ নামিয়ে দেখলেন নিজের পা। সত্যিই তো, কতটা বেমানান লাগছে। দামি
শাড়ির সঙ্গে এই সস্তা চপ্পল! মনে হলো চারপাশের সবাই তাকিয়ে হাসছে।
পরে আরেক পরিচিত দম্পতি কাছে এসে মৃদু বিস্ময়ে বললেন—
“এ কী! এত সুন্দর শাড়ির সঙ্গে এমন জুতো পরেছেন কেন?”
হাসিমুখে কিছু উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করলেন বটে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে লজ্জা
আর কষ্টে গলা শুকিয়ে গেল।
রাত করে বাড়ি ফিরতে গিয়ে আরও বড় ধাক্কা খেলেন। বসু দের বাড়ি থেকে ফোন
এসেছে—
— “শুনুন, আপনি তো বলেছিলেন রাতেই ক্রোকস ফেরত দেবেন। এত রাত হলো, এখনও
ফেরালেন না কেন? এ তো সরাসরি কথার খেলাপ, এমনটা অন্তত আপনার থেকে আশা করা
যায় না।”
পূর্ণার বুক ধড়ফড় করে উঠল। একটা অপরাধবোধ ঘিরে ধরল তাকে।
“ বিশ্বাস করুন আমার ইচ্ছে ছিল আজই ফেরাবো। কিন্তু… ঘুরতে
গিয়েছিলাম।”
কথা শেষ হওয়ার আগেই ফোনের ওপাশে বিরক্তি—
“ঠিক আছে, কাল সকালে ফেরত দিন। দেরি করলে আমাদেরই অসুবিধা।”
পূর্ণা ফোন কেটে চুপচাপ বসে রইলেন। চোখ ভিজে এল। মনে হলো, তিনি যেন এক
অপরাধী।
আরও বড় বিপদ অপেক্ষা করছিল। দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই দেখলেন— মেঝেতে
ছড়িয়ে আছে ছেঁড়া ক্রোকসের টুকরো। তার নিজের পোষা কুকুররা খেলা করতে
করতে পুরোটা নষ্ট করে ফেলেছে।
এবার বুকের ভেতরটা হাহাকার করে উঠল।
“এখন কী বলব বসুদের? আমি তো কথা দিয়েছিলাম ফেরত দেব।”
সারারাত পূর্ণা ঘুমোতে পারলেন না। ঘরের আলো নিভে গেলেও তাঁর চোখে ঘুম ছিল
না।
রাতভর চোখে ঘুম আসেনি। একদিকে পায়ের ব্যথা, অন্যদিকে ধার করা ক্রোকস
ছিঁড়ে যাওয়ার চিন্তা। ভোরের আলো ফুটতেই মনে হলো বুকের ভেতরে একটা ভারি
পাথর চাপা পড়ে আছে।
সকালবেলা বসুদের বাড়ি গিয়ে ক্রোকস ফেরত দিলেন। হাতে নিয়ে বসু মহাশয়
অবাক—
“এটা কী অবস্থায় হয়েছে?”
পূর্ণা মাথা নিচু করে বললেন, “আমাদের কুকুরগুলো… ছিঁড়ে ফেলেছে।”
— “আরে বাবা! এটা তো এখন ব্যবহারের অযোগ্য। আপনি তো বলেছিলেন, ফেরত দেবেন
অক্ষত অবস্থায়।”
গলায় কড়া সুর। যেন পূর্ণা ইচ্ছে করেই নষ্ট করেছেন।
পূর্ণা দাঁড়িয়ে রইলেন চুপচাপ। উত্তর দেবার মতো শক্তি নেই। অপমান,
লজ্জা, যন্ত্রণা সব মিলিয়ে চোখ ভিজে উঠল।
বাড়ি ফিরে বিছানায় বসে পড়লেন। মনে হলো, চারপাশ থেকে সবাই আঙুল
তুলছে—
*“চোর… চোর… চোর…”*
ঠিক তখনই ঘরে ঢুকল পূর্ণার ছেলে আদিত্য। উনিশ বছরের তরতাজা যুবক। লম্বা
দোহারা চেহারা, চোখে জেদি আগুন। মায়ের মুখ দেখে সঙ্গে সঙ্গেই থমকে
গেল।
— “মা, কী হয়েছে? তুমি কাঁদছ কেন?”
মা কাঁপা গলায় সব খুলে বললেন— স্যান্ডেল চুরি, খালি পায়ে ঘোরা, ধার করা
ক্রোকস, অপমান, কুকুরের দুষ্টুমি, আর শেষে বসুদের রাগারাগি।
সব শুনে আদিত্যর চোখ লাল হয়ে উঠল। বুকের ভেতরে যেন দম আটকে আসছে।
— “এমন অপমান… মা, তুমি এসব সহ্য করলে কীভাবে?”
মা ফিসফিস করে বললেন, “ছেড়ে দে বাবা, সামান্য একজোড়া স্যান্ডেলই তো।
জীবনে এর চেয়েও বড় ক্ষতি হয়।”
কিন্তু আদিত্য থামল না। তার চোখে যেন বজ্রপাতের আগুন ঝলসে উঠল।
— “না মা! এটা শুধু একটা স্যান্ডেলের ব্যাপার নয়। এটা আমাদের সম্মানের
ব্যাপার। কেউ তোমার স্যান্ডেল চুরি করেছে, তুমি খালি পায়ে কষ্ট পেয়েছ,
আর মানুষ তোমাকে অপমান করছে। আমি চুপচাপ বসে থাকতে পারব না।”
মা অবাক— “তুই কী করবি?”
আদিত্য দৃঢ় কণ্ঠে বলল,
“আমি খুঁজে বের করব। কে এই চোর, কোথা থেকে আসে, কেন চুরি করে— সব জানব।
যদি প্রমাণ পাই, তাকে আমি ছেড়ে দেব না।”
বিকেল নামতেই আদিত্য বেরিয়ে গেল মণ্ডপে। চারদিকে এখন মানুষের ঢল। আলো
ঝলমলে সাজসজ্জা। কিন্তু আদিত্যর চোখে শুধু রাগ আর জেদ।
সে চারপাশে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে। কোথায় জুতোর স্ট্যান্ড, কারা বেশি
ঘোরাঘুরি করছে, কে কার দিকে তাকাচ্ছে— সব নজরে রাখছে।
একজন স্বেচ্ছাসেবককে গিয়ে জিজ্ঞেস করল—
“ভাই, এখানে কি সিসিটিভি আছে?”
লোকটা অবাক হয়ে বলল,
“হ্যাঁ, আছে তো। কমিটির অফিসে ফুটেজ রাখা হয়।”
আদিত্যর চোখ জ্বলে উঠল।
“আমাকে ওই ফুটেজ দেখতে হবে।”
সেই রাতে, লোকজনের ভিড় কমে এলে আদিত্য গিয়ে দাঁড়াল পূজা কমিটির অফিসে।
চেয়ারে বসা সেক্রেটারিকে অনুরোধ করল—
— “কাকাবাবু, আমার মায়ের স্যান্ডেল চুরি হয়েছে। আমি যদি সিসিটিভি ফুটেজ
দেখি, হয়তো খুঁজে বের করতে পারব।”
লোকটা প্রথমে গম্ভীর মুখে বলল, “আমরা তো পুলিশ নই বাবা। এসবের সময়
কোথায় আমাদের?”
আদিত্য হাত জোড় করল—
“আপনার পায়ের জুতো জোড়া যদি খুঁজে না পাওয়া যেত, আর আমার মায়ের মত
আপনার পায়েও যদি কোন সমস্যা থাকতো তাহলে বুঝতেন কষ্টটা। আমার মায়ের পা
ফুলে গেছে। আমি শুধু দেখতে চাই, কারা চুরি করেছে।”
সেক্রেটারির চোখে স্নেহের ছায়া দেখা গেল। তিনি বললেন, “ঠিক আছে, তবে
বেশি সময় নেই। যা দেখার তাড়াতাড়ি দেখে নাও।”
আদিত্য কম্পিউটারের সামনে বসল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফুটেজ স্ক্রল করতে
লাগল।
প্যান্ডেলের ভিড় ধীরে ধীরে কমে আসছিল, বাতাসে এখন শুধু ধূপের গন্ধ আর
আলোর ঝলক। কিন্তু আদিত্যর মন শান্ত নয়। তার চোখ সারাদিন ধরে খুঁজছে—কারা
মা’র স্যান্ডেল চুরি করেছে।
রাতবেলায়, বাড়ির চুপচাপ কোণে বসে, সে কম্পিউটারের ফুটেজ দেখছিল। তার
কথায় এমন কিছু জাদু ছিল যার ফলে পুজো কমিটির সেক্রেটারি তাকে সিসিটিভি
ফুটেজ দিয়ে দেয় আর সেগুলো বাড়িতে নিয়ে আসে দেখার জন্য। প্যান্ডেলের
সিসিটিভি ফুটেজ খুব মন দিয়ে অবজারভ করছিল আদিত্য এবং তার মধ্যে
অস্বাভাবিক কি ছিল সেটাই বোঝার চেষ্টা করছিল। প্রথমে সব স্বাভাবিক মনে
হল—মানুষ ভিড় করছে, অঞ্জলি দিচ্ছে, হাসাহাসি চলছে। কিন্তু হঠাৎ একটি
দৃশ্য তাকে স্থবির করে দিল।
ছোট একটি ছেলে, বয়সে বারো-তেরো বছরের মতো, চুপচাপ প্যান্ডেলের পাশে
ঢুকল। হাতে কোনো ফুল নেই, অঞ্জলির লাইনে দাঁড়াচ্ছে না। মুহূর্তে সে
নজরদারি কমা কিছু মানুষকে এড়িয়ে, এক জোড়া নতুন স্যান্ডেল তুলে নিল এবং
দৌড়ে চলে গেল।
আদিত্যর চোখ আরো কিছু খুঁজছিল। মনে হল, এই ছোট্ট বাচ্চা একা নয়। ফুটেজ
আরও একবার দেখল—
হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছে। পরের দশ মিনিটে আরেকটি ছেলে একইভাবে চুরি করছে। তার
পর আরও এক, আরেক…
প্রায় প্রতি ১০–১৫ মিনিট অন্তর নতুন কেউ এসে স্যান্ডেল বা চপ্পল নিয়ে
পালাচ্ছে।
আদিত্যর সন্দেহ নিশ্চিত হয়ে গেল। এটা কোনো একক ঘটনা নয়। *একটা চক্র*
আছে—একটি সুসংগঠিত চুরি চক্র, যারা শিশুদের ব্যবহার করে।
সে হঠাৎ ভাবল—
"মা’কে শুধু শুধু অপমানিত হতে দিতে পারব না। আমি সত্যি টা উদঘাটন করবই।"
ক্রমশ..............