ভাজা এবং রসা রসা মুগ পুলি
বাপ্পাদিত্য গুড়িয়া,
নতুন দিল্লি
শীতকাল মানেই পিঠেপুলির সময়, তা সে গ্রামেই হোক বা এই দিল্লির শহরে।
এখানে গ্রামের মতো খাঁটি খেজুর গুড় না পাওয়া গেলেও মোটামুটি গুড় আমরা
পেয়েই যাই। তাই শীতকালে ছুটি ছাটার দিন দেখে পিঠেপুলি বানিয়ে খাওয়াই
যায়। আসুন ৪০-৪৫ মিনিটের মধ্যে বাড়িতে থাকা কিছু উপকরণ দিয়ে খুব চটপট
আমরা মজাদার একটি পিঠে বানিয়ে আপনাদেরকে দেখাই। আশা করি আপনাদের ভালো
লাগবে।
উপকরণ:-
২৫০ গ্রাম মুগ ডাল
২৫০ গ্রাম চালের গুঁড়ো
পরিমাণ মতো নুন
২-৩ চামচ চিনি,একটু মিষ্টি মিষ্টি ভালো লাগে।
১টা নারকোল কোড়া পুরের জন্যে
৩/৪ কাপ গুড়
পরিমাণ মত ভাজার জন্যে তেল
৩০০গ্রাম চিনি ও দু কাপ জল (রসের জন্য)। এটা অপশনাল, আপনারা চাইলে করতে
পারেন অথবা না চাইলে স্কিপ করতে পারেন।
রান্নার নির্দেশ সমূহ-
প্রথমে ডাল শুকনো কড়াইয়ে ভেজে নিয়ে ৩-৪ বার ধুয়ে ২টো সিটি দিতে হবে , এটা
কড়াইয়ে ও সেদ্ধ করা যাবে।
এবার কড়াইয়ে জল বসিয়ে নুন ও চিনি দিয়ে ফুটতে দেবো,ফুটে উঠলে ডাল দিয়ে
নাড়িয়ে হাতার পেছন দিয়ে একটু ম্যাশ করে দেবো, ডাল ভালো করে ফুটে গেলে
অল্প অল্প করে চালের গুড়ো দিয়ে একটা মন্ড বানিয়ে নেবো, ১০ মিনিটের মতো
ঢাকা দিয়ে রাখবো।
এবার নারকোল কোড়া ও গুড় মিশিয়ে নেড়ে ছাঁই বা পুর টা বানিয়ে রাখবো।
এবার ডালে আর চালের মন্ড টিকে অল্প অল্প করে আরেকটু চালের গুড়ো দিয়ে আটা
মাখার মতো মেখে নেবো। অল্প অল্প করে মেখে নিতে হবে, নাহলে ঠান্ডা হলে
শক্ত হয়ে যাবে। এবার ছোট ছোট লেচি কেটে খোল বানিয়ে তাতে পুর ভরে পুলি
বানিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে।
এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে অল্প আঁচে পুলিগুলো লাল মুচমুচে।করে ভেজে নিতে
হবে।
এইভাবে সবকটি পুলি ভেজে প্লেটে ঢেলে গরম গরম সার্ভ করুন।
আবার ঠিক একইভাবে এই ভাজা পুলি গুলিকে একটু হালকা গরম না মোটা না পাতলা
এক চীটের মাঝারি চিনি র চাশনি বা রসের মধ্যে ডুবিয়ে দিয়ে চার পাঁচ
ঘন্টার মতো রেস্টে রেখে দেওয়ার পরে রেডি হয়ে যাবে রসা মুগ পুলি।