শরৎকালে সতর্কতা অবলম্বনের উপায়

বাসবদত্তা গুড়িয়া,

নতুন দিল্লি

১. সঠিক পোশাক ব্যবহার – শরৎকালে দিনের বেলায় আবহাওয়া গরম থাকে, কিন্তু সকাল ও রাতে ঠান্ডা পড়ে। তাই এই সময় পাতলা হলেও হালকা গরম জামা ব্যবহার করা উচিত। এতে শরীর হঠাৎ ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা কমে যায় এবং সর্দি-কাশি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

২. পর্যাপ্ত জলপান – শরৎকালে আবহাওয়া শুষ্ক থাকে। এই সময়ে শরীর দ্রুত জলশূন্য হয়ে পড়ে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত জল খাওয়া দরকার। এতে শরীর সতেজ থাকে এবং গলা শুকিয়ে যাওয়া কিংবা মাথা ব্যথার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৩. মৌসুমি ফল খাওয়া – পেয়ারা, আমলকি, আপেল, কমলা ইত্যাদি মৌসুমি ফলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে ভাইরাস ও জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। বিশেষত আমলকি শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী।

৪. গরম পানীয় গ্রহণ – ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি খুব সহজেই হয়। তাই আদা চা, তুলসী চা, হলুদ দুধ কিংবা গরম স্যুপ খেলে শরীর গরম থাকে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। এগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে।

৫. ত্বকের যত্ন নেওয়া – শরৎকালে বাতাস শুকনো থাকে, ফলে ত্বক রুক্ষ ও ফেটে যায়। প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার বা তেল ব্যবহার করলে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল থাকে। এছাড়া বেশি করে জল খাওয়াও ত্বকের জন্য উপকারী।

৬. অ্যালার্জি থেকে সাবধান – ধুলো, পরাগকণা বা শুকনো বাতাসে অনেকের অ্যালার্জি হয়, যার ফলে হাঁচি, কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। তাই বাইরে বের হলে প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। এতে শ্বাসযন্ত্র সুরক্ষিত থাকবে।

৭. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম – শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম খুব প্রয়োজন। ঘুমের সময় শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা মজবুত হয়। তাই প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। এতে শরীর সতেজ থাকে এবং রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে।