সুয্যি মামা
সুলেখা ভান্ডারী,
বালিগঞ্জ, কলকাতা
ভোর হলো দোর খোলো আর ঘুমিয়ে থেকো না
জানলা দিয়ে ওই দেখা যায় আকাশ আলোর ওড়না।
পাখিদের কিচিরমিচির ওই যে শোনা যায়,
উঁচু উঁচু গাছের মাথায় একটু করে দেখা যায়।
সকালবেলায় স্নিগ্ধ হাওয়া শীতল বাতাস
অঙ্গে তোমার জড়িয়ে নাও,
একটু পরে উঠবে রবি পূব আকাশে
সাত রঙা রঙ রাঙিয়ে যাও ।
রবির আলো দেখে সবাই কত না মজা পাবে।
গাছে গাছে ফুল ফুটবে ফল ধরবে ডালে।
আলো পেয়ে ফুলের কুঁড়ি প্রস্ফুটিত হবে।
ভ্রমর এসে নেচে নেচে ফুলের মধু খাবে,
ফুলেরা তার গন্ধ ছড়িয়ে মন মুগ্ধ করবে।
মাথার উপর যখন রবি,
তখন কত না তেজের ঝলসা,
সহ্য করা যায়না বাবা কমবে কখন রৌদ্রধারা।
বিকেল হলে পশ্চিমেতে ঢলে পড়বে মামা,
তখন যেন শান্তি পেলাম শীতল একটু হাওয়া।
পশ্চিমেতে গোধূলি বেলায় কতনা রঙের বাহার
দেখে তুমি মুগ্ধ হবে সোনালী আলোর মেলা।
সুয্যি মামা সন্ধ্যে হলে কোথায় তুমি মলিন হয়ে যাও
সকাল হলে পূব আকাশে আবার দেখা দাও।
ভাবি শুধু মনে মনে কোথায় তোমার বাড়ি?
থাকো কি তুমি সাত সমুদ্র তেরো নদীর পাড়ে ?
দিনের শেষে কাজ ফুরালে দাও তুমি পাড়ি!